আন্দোলন–সংগ্রামে একুশের স্মৃতি

· Prothom Alo

জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন উপন্যাসের পটভূমি ছিল ১৯৫৫ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি উদ্‌যাপনকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ। উপন্যাসের শেষের দিকে দেখা যায়, আন্দোলনকারীদের নাম ডেকে জেলখানার ভেতরে ঢোকানো হচ্ছিল। ডেপুটি জেলার সাহেব আন্দোলনকারীদের নাম ডাকতে ডাকতে হাঁপিয়ে গিয়ে রেগেমেগে বলেন, ‘উহু, এত ছেলেকে জায়গা দেব কোথায়? জেলখানা তো এমনিতে ভর্তি হয়ে আছে।’ প্রত্যুত্তরে এক আন্দোলনকারী বলে ওঠে, ‘এতেই ঘাবড়ে গেলেন নাকি? আসছে ফাল্গুনে আমরা কিন্তু দ্বিগুণ হব।’

Visit amunra-online.pl for more information.

উপন্যাসটির যবনিকা ঘটেছিল এই উক্তির মধ্য দিয়ে। এ যাবৎ যত আন্দোলন–সংগ্রাম হয়েছে, রাষ্ট্রীয় দমন–পীড়ন বৃদ্ধি পেয়েছে, ততবার এটাই যেন হয়েছে আন্দোলনকারীদের প্রাণের উক্তি। উপন্যাস থেকে দেয়ালচিত্রে আন্দোলনকারীদের দ্বিগুণ হয়ে ওঠার বাসনা আন্দোলন–সংগ্রামের আশাবাদী ইতিহাসের স্মারক। পাশাপাশি বর্তমানের সংগ্রামের প্রেরণা যে নিহিত থাকে অতীতের সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্যে, তারও গভীর ইশারা লুকিয়ে আছে এই ভাষ্যের মধ্যে।

আমরা বাংলাদেশ নামের যে ভূখণ্ডের বাসিন্দা বলে ‘গর্ব বোধ করি’, তার সামষ্টিক পরিচয়ের অন্যতম উপাদান বায়ান্ন সালের একুশে ফেব্রুয়ারির রক্তাক্ত ইতিহাস। আমাদের যে সাধারণ ও সামষ্টিক স্মৃতি ও ইতিহাস তৈরি হয়েছে, তার কেন্দ্রীয় ঘটনা একুশে ফেব্রুয়ারি ও ভাষা আন্দোলন।

জাতিগত বা সামষ্টিক আত্মপরিচয় নির্মিত হয়, আপনা-আপনি নাজেল হয় না, যদিও আমাদের মধ্যে জাতিগত পরিচয়কে ‘শাশ্বত’ মনে করার চল রয়েছে। এই নির্মাণপ্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হচ্ছে সামষ্টিক স্মৃতিচারণা; সামষ্টিক স্মৃতিচারণার মাধ্যমে পরিচয়ের সাধারণ পাটাতন তৈরি হয়। আমরা বাংলাদেশ নামের যে ভূখণ্ডের বাসিন্দা বলে ‘গর্ব বোধ করি’, তার সামষ্টিক পরিচয়ের অন্যতম উপাদান বায়ান্ন সালের একুশে ফেব্রুয়ারির রক্তাক্ত ইতিহাস। আমাদের যে সাধারণ ও সামষ্টিক স্মৃতি ও ইতিহাস তৈরি হয়েছে, তার কেন্দ্রীয় ঘটনা একুশে ফেব্রুয়ারি ও ভাষা আন্দোলন। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসের যেকোনো টেক্সট পাঠ করলেই এর প্রমাণ পাওয়া যায়। আমাদের মূলধারার ইতিহাসের বয়ানও শুরু হয় বায়ান্ন থেকে। এমন ইতিহাসচর্চার অনেক সমালোচনা হয়েছে; কেউ কেউ বলার চেষ্টা করেছেন, আরও অতীত থেকে ইতিহাস বলা দরকার, নতুবা একুশ যেন ‘বিচ্ছিন্ন’ ঘটনা হিসেবে হাজির হয়। কিন্তু সবাই আমাদের সামষ্টিক সংগ্রাম ও স্মৃতিতে একুশের প্রভাব ও এর গভীরতা মেনে নেন। বিগত স্বৈরতান্ত্রিক আমলে বায়ান্নর ঘটনাপ্রবাহে শেখ মুজিবকে বসানোর সরকারি কসরত প্রমাণ করে, এই ঘটনা আমাদের রাজনৈতিক সমাজে কতটা শক্তিশালী।

আরেক ফাল্গুন–এ যেমন দেখি, একুশ প্রতিবাদের প্রেক্ষাপট, আবার প্রেরণারও উৎস। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসেও একুশ একদিকে প্রতিবাদের উসিলা হয়ে ওঠে, অন্যদিকে প্রতিবাদ–সংগ্রামে একুশকে স্মরণ করি নাড়ির টানের মতো করে। যতবার এই ভূখণ্ডের জনগোষ্ঠী অন্যায়–অবিচারের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমেছে, ততবারই যেন একুশকে স্মরণ করেছে। একই সঙ্গে একুশে ফেব্রুয়ারি হয়ে উঠেছিল বিদ্যমান জুলুমের প্রতিবাদ জানানোর সর্বাধিক জরুরি ওয়াক্ত। রাজনৈতিক মহলের কাছে যেকোনো ধরনের শপথ নেওয়ার দিন যেন একুশে ফেব্রুয়ারি। আমরা মোটেও অবাক হইনি, যখন চব্বিশেও দেখি, শহীদ মিনারে সরকার গঠনের শপথ নেওয়ার আলাপ ওঠে। আলাপের অজস্র দিক আছে, কিন্তু জাতীয় ইতিহাসের এই স্থান ও ঘটনার প্রভাব হিসেবে এই আলাপকে পাঠ করা যেতে পারে।

মূলধারার ইতিহাসের বয়ানও শুরু হয় বায়ান্ন থেকে। এমন ইতিহাসচর্চার অনেক সমালোচনা হয়েছে; কেউ কেউ বলার চেষ্টা করেছেন, আরও অতীত থেকে ইতিহাস বলা দরকার, নতুবা একুশ যেন ‘বিচ্ছিন্ন’ ঘটনা হিসেবে হাজির হয়। কিন্তু সবাই আমাদের সামষ্টিক সংগ্রাম ও স্মৃতিতে একুশের প্রভাব ও এর গভীরতা মেনে নেন।

একুশের এই প্রতীকী গুরুত্বের আরেক প্রস্ত বিবরণ পাওয়া যায় আবুল মনসুর আহমদের বিবরণে। তিনি যখন ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের প্রাক্কালে ঐতিহাসিক ২১ দফা রচনা করছিলেন, তখনো এর প্রতীকী অনুপ্রেরণা ছিল একুশ। তিনি লিখছেন, ‘মুসাবিদা করিতে-করিতে হঠাৎ একটা ফন্দি আমার মাথায় ঢুকিল। এটাকে ইনসপিরেশন বলিলেও অত্যুক্তি হয় না।’ সেই ফন্দি বা ইন্সপিরেশনটা কী? তখন শহীদ মিনার নির্মাণ, একুশে ফেব্রুয়ারিতে সরকারি ছুটি ঘোষণা ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বাসস্থান বর্ধমান হাউসকে বাংলা ভাষার কেন্দ্র করার দাবি আলোচিত হচ্ছিল। ‘কাজেই ২১ ফিগারটাকে চিরস্মরণীয় করিবার অতিরিক্ত উপায় হিসাবে যুক্তফ্রন্টের কর্ম-সূচিকে ২১ দফার কর্মসূচি করিলে কেমন হয়?’ এই চিন্তা থেকেই অনেক কাটাকাটি করে ‘ইতিহাসবিখ্যাত ২১ দফা রচনা হইয়া গেল’, যা আবুল মনসুর আহমদের ভাষায়, ‘এই একুশ দফা মেনিফেস্টো পরবর্তীকালে পূর্ব-বাংলার ছাত্র-জনতার জীবন-বাণী হইয়া দাড়াইয়াছিল।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ছাত্র-জনতার ১৪৪ ধারা ভাঙার প্রস্তুতি, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২। ছবি: রফিকুল ইসলাম

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একুশে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষার প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বরং ফাগুনের আগুন দ্রোহের আগুন জ্বালায়, সেই তাপে শাসকগোষ্ঠী নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হয়। একুশ নানা রঙে নানা চেহারায় শাসকদের বারবার চ্যালেঞ্জ করে। কিছু নমুনা দেওয়া যেতে পারে। ১৯৬৯ সালের ফেব্রুয়ারি, আইয়ুববিরোধী আন্দোলন তখন তুঙ্গে। সেই সময়ের উত্তাপ একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ মিনারের আশপাশ এলাকার কিছু দেয়ালচিত্রে পাওয়া যায়। একটিতে লেখা আছে, ‘মৌনীবাবা কথা বলে না, কানে শোনে না কিন্তু যখের মত পাহারা দেয় পুঁজিপতির পুঁজি।’ অন্য জায়গায় লেখা: ‘সহস্র জনতা বারবার প্রতিহত করেছে সাম্রাজ্যবাদের অশুভ প্রচেষ্টা। কিন্তু ঈগলের রক্তনখ উদ্যত প্রতিক্ষণে।’ একটা ছবিতে আঁকা ছিল: কাঁটাতারে আটকে আছেন রবীন্দ্রনাথ, বাংলা অক্ষর এবং গণতন্ত্র। সঙ্গে চোখে ও মুখে কাপড় দিয়ে অন্ধ ও বোবা করে রাখা দুজন মানুষের ছবি। নিচে লেখা: ‘চারদিকে নিষেধের বেড়াজাল, জুজুর মিথ্যা ভয়।’ অস্ত্রের মুখে ওষুধ খাওয়ানোর ছবি, তার নিচে লেখা হয়: ‘আর মিথ্যে নয়, আর ভয় নয়। কোন ঔষধেই ঘুম আর আসবে না। এখন নতুন শিশুর জেগে ওঠার পালা।’ আরেকটা ছবিতে লেখা: ‘নতুন সড়কে চলতে হবে নতুন চেতনায় কিন্তু আমাদের জীবন শকট হাজার বোঝার ভারে এখন অচল।’ আরেকটাতে লেখা হয়েছে, ‘ঠিক মরীচিকার মতই শত শত আশ্বাস আমাদের নিয়ে চলেছে কোন মুল্লুকে? মরূদ্যানের সন্ধান কি পাবোনা এই মুল্লুকেই?’ প্রতিটা স্লোগান ও ছবিতে সেই সময়ের সামরিক শাসকগোষ্ঠীর প্রতি তীব্র আক্রমণ ফুটে ওঠে। একুশ ও শহীদ মিনারই ছিল আন্দোলনকারীদের ভাষা ও ক্ষোভ প্রকাশের ওয়াক্ত ও ময়দান।

‘২১ ফিগারটাকে চিরস্মরণীয় করিবার অতিরিক্ত উপায় হিসাবে যুক্তফ্রন্টের কর্ম-সূচিকে ২১ দফার কর্মসূচি করিলে কেমন হয়?’ এই চিন্তা থেকেই ‘ইতিহাসবিখ্যাত ২১ দফা রচনা হইয়া গেল’, যা আবুল মনসুর আহমদের ভাষায়, ‘এই একুশ দফা মেনিফেস্টো পূর্ব-বাংলার ছাত্র-জনতার জীবন-বাণী হইয়া দাড়াইয়াছিল।’

একাত্তর সালে যখন একুশ আসে, তখনো এক বিপ্লবাত্মক মুহূর্ত। মাত্র এক মাসের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হতে যাচ্ছে। তখন দেখা যায়, শেখ মুজিব বলছেন, ‘শহীদদের নামে শপথ লইয়া ঘোষণা করিতেছি, রক্ত দিয়া হইলেও বাংলার স্বাধিকার আদায় করিব।’ সেই একুশের শহীদদের স্মরণে পল্টনের এক জনসমুদ্রে শপথও পড়ানো হয়। দৈনিক ইত্তেফাক সেই অনুষ্ঠানের শিরোনাম করেছিল, ‘বীর জনতার বজ্রশপথ-’। স্বাধীনতার পর লেখা হয়: ‘একুশের প্রত্যয় ছড়িয়ে গেছে সারা বাঙলার বুকে’। (দৈনিক বাংলা, ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২)। মুক্তিযুদ্ধে একুশের প্রভাব এবং এই রেশে আমাদের জাতিগঠনে ও সামষ্টিক কল্পনায় একুশের প্রভাব নিয়ে ইতিমধ্যে প্রচুর সাহিত্য রচিত হয়েছে।

স্বাধীন বাংলাদেশে একুশকে স্মরণ করার চল শুরু হয় একেবারেই আনুষ্ঠানিকভাবে। যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক, সে তার রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য একুশকে স্মরণ করে। কিন্তু একুশের প্রভাব সরকারি পক্ষ দিয়ে ঠাহর করা যায় না। একুশের শক্তি জুলুমকারী রাষ্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে টের পাওয়া যায়। যতবার কেউ চেপে বসেছে বুকের ওপরে, জনগোষ্ঠী হাঁসফাঁস করছে মুক্তির জন্য, ততবারই যেন একুশ আলো দেখিয়েছে, সংগঠিত করেছে, শক্তি জুগিয়েছে।

এরশাদের বিরুদ্ধে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন যখন তুঙ্গে, আন্দোলনকারীর সবাই একুশকে উসিলা নিতেন তাঁদের স্বৈরাচারবিরোধী অবস্থান জাহির করতে। ১৯৮৯ সালে একুশে ফেব্রুয়ারিতে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের নেতাদের ‘স্বৈরাচার ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ’ গড়ে তোলার আহ্বান শোনা যায়। খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদদের স্মরণ করে গণতন্ত্র কায়েম করার শপথ নিচ্ছেন।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলজুড়ে একুশ এসে হাজির হতো দ্রোহের অনুষঙ্গ হিসেবে। যখনই যে ইস্যুতে প্রতিবাদ–আন্দোলন হয়েছে, তার নিরিখেই যেন একুশকে স্মরণ করেছি। চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময়েও দেয়ালে দেয়ালে লেখা হয়েছে ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুণ হব’, ‘বায়ান্ন দেখিনি, চব্বিশ দেখেছি’। গান রচিত হয়েছে: ‘বায়ান্নতে চব্বিশে তফাত কই রে? কথা ক…/ আমার ভাই-বইন মরে রাস্তায় তর চেষ্টা কই রে? কথা ক…’। চব্বিশের সবচেয়ে উত্তাল ওয়াক্তে, যেমন যখন দ্রোহযাত্রা হচ্ছে, বা যখন শিক্ষার্থীরা এক দফার ঘোষণা দিচ্ছে, তখন একুশের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারই হচ্ছে এসব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রস্থল। একুশের ভাষা, স্লোগান, স্মৃতি, মিনার কত আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে আমাদের দ্রোহের ইতিহাসে, তার এক উজ্জ্বল নজির এই ঘটনাপ্রবাহ।

গত সত্তর বছরের ইতিহাস থেকে বলা যায়, আমাদের রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীর দ্রোহের কল্পনায় স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে একুশ। অন্যায়, অবিচার, শোষণ, নিপীড়ন, রাষ্ট্রীয় সহিংসতার বিরুদ্ধে যখন ক্ষোভ সঞ্চারিত হয়, তখন তা প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম ও উসিলা হয়ে ওঠে একুশ। একুশ যেন মজলুমের হাতিয়ারস্বরূপ। মজলুমের মুখে ভাষা তুলে দেয় একুশের স্মৃতি, শহীদদের ত্যাগ।

এ বছর যখন আমরা একুশ পাচ্ছি, তখন বাংলাদেশ এক নতুন শুরুর দ্বারপ্রান্তে। দীর্ঘ দেড় দশকের স্বৈরতান্ত্রিক অধ্যায় ও অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থান পার করে আমরা আবারও গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি। এই দীর্ঘ দেড় দশকের আন্দোলন সংগ্রামে একুশ ছিল আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস। এই একুশে আমরা রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শপথ নিতে পারি। রাষ্ট্র কখনো কোনো নাগরিকের প্রাণ হরণ করতে পারবে না, গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিতে পারবে না।

রাষ্ট্র যদি আবার গণবিরোধী ও নিপীড়ক চেহারা নিয়ে হাজির হওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে একুশ আবারও মজলুমের হাতিয়ার হবে। ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি?’ সুর অথবা ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুণ হব’ স্লোগান আবারও শাসকগোষ্ঠীর মসনদ কাঁপিয়ে দিতে পারে।

Read full story at source