মেসিকে বেশি ভালো বলায় লিনেকারকে আনফলো করেছিলেন রোনালদো

· Prothom Alo

লিওনেল মেসি আর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মধ্যে কে সেরা—এই বিতর্ক এক যুগের বেশি সময় ধরে চলছে। এই প্রশ্নে সব সময় মেসির পক্ষ নিয়ে আসা ইংলিশ কিংবদন্তি গ্যারি লিনেকার এবার জানালেন, তাঁর এই অবস্থানের কারণে রোনালদো তাঁকে ইনস্টাগ্রামে আনফলো করে দিয়েছেন।

সম্প্রতি জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘দ্য রেস্ট ইজ ফুটবলে’ সহ-উপস্থাপক অ্যালান শিয়ারার ও মিকা রিচার্ডসের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ ঘটনা সামনে আনেন। ক্যারিয়ারের লম্বা একটি সময় বার্সেলোনায় কাটানো লিনেকার বলেন, ‘রোনালদো আমাকে খুব একটা পছন্দ করেন না। আমি তার সম্পর্কে কোনো খারাপ কথা বলিনি, তবে খোলাখুলিভাবে বলেছি যে সামগ্রিকভাবে মেসি একজন ভালো ফুটবলার। তিনি (রোনালদো) ইনস্টাগ্রামে আমাকে আনফলো করে দিয়েছেন। তবে ব্যাপারটা আমি সামলে নেব।’

Visit sport-tr.bet for more information.

লিনেকারের কথা শুনে শিয়ারার ও রিচার্ডস হাসিতে ফেটে পড়েন। লিনেকারও তাঁদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হাসিমুখে বলেন, ‘আমি তাকে সব সময়ই পছন্দ করি। তার সঙ্গে আমার অনেকবার দেখা হয়েছে। আমি জানি সে আমার ওপর মনঃক্ষুণ্ণ। তবে সমস্যা নেই। আর সেই সূত্র ধরেই বলছি...ক্রিস্টিয়ানো, প্লিজ... আমাকে একটা ফোন দিয়ো। চলো আমরা আবার বন্ধু হয়ে যাই।’

মেসি কেন রোনালদোর চেয়ে সেরা, সে প্রশ্নে নিজের যুক্তি তুলে ধরে লিনেকার বলেন, ‘মেসি আমার সব সময়ের প্রিয় খেলোয়াড়, কারণ তিনিই আমার দৃষ্টিতে সর্বকালের সেরা।’ এর আগেও লিনেকার তাঁর চোখে সর্বকালের সেরা চারজনের তালিকায় পেলে, ম্যারাডোনা, মেসি ও ব্রাজিলিয়ান রোনালদোকে রেখেছিলেন। সেই তালিকায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জায়গা হয়নি, যা পর্তুগিজ তারকার ভালো লাগেনি বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

ইংলিশ কিংবদন্তি গ্যারি লিনেকার

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে স্প্যানিশ টিভি চ্যানেল লা সেক্সটাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী নিজেকে সেরা দাবি করে বলেছিলেন ‘আমি ফুটবল ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়। ফুটবল ইতিহাসে আমি আমার চেয়ে ভালো কাউকে দেখিনি। কথাটা আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি বলেই বলছি। আপনি পরিসংখ্যানের দিকে তাকান। আমার মনে হয় আমি ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে পরিপূর্ণ খেলোয়াড়। আমার মতে, আমিই সেরা। ফুটবলে আমি সবকিছুই ভালোভাবে করি, মাথা দিয়ে (হেড), ফ্রি-কিক, বাঁ পা—সবই।’

রাফায়েলা পিমেন্তা: ফুটবলের সবচেয়ে প্রভাবশালী নারী সম্পর্কে কতটা জানেন

Read full story at source