রোনালদোর ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খুললেন পর্তুগালের নতুন কোচ

· Prothom Alo

পর্তুগালের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন হোর্হে জেসুস। ৭১ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ কোচের সঙ্গে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত চার বছরের চুক্তি করেছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন। ২০৩০ সালের বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজকও হবে পর্তুগাল।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

এবারের বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিদায় নেয় পর্তুগাল। এরপরই ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে দায়িত্বে থাকা কোচ রবার্তো মার্তিনেজ পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন।

জেসুস সর্বশেষ মৌসুমে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্লাব আল নাসরের কোচ ছিলেন। দলটি সৌদি প্রো লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়, যা আরব দেশটিতে রোনালদোর প্রথম লিগ শিরোপা।

‘৬’ সংখ্যায় বিশ্বাস রেখে কি ঠকলেন মার্তিনেজ

বিশ্বকাপ থেকে পর্তুগালের বিদায়ের পর রোনালদো জানিয়েছেন, এটিই ছিল বিশ্বকাপে তাঁর শেষ আসর। তবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে পুরোপুরি অবসরের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেননি। অন্যদিকে আল নাসরের সঙ্গে ২০২৭ সাল পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে রোনালদোর।

পরাজয়ের বেদনা সঙ্গী করে মাঠ থেকে বিদায় নেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো

শুক্রবার পর্তুগাল কোচ হিসেবে জেসুসের প্রথম সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় দলে রোনালদোর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক। জবাবে পর্তুগিজ এই কোচ রোনালদোকে পর্তুগাল ফুটবলের ‘প্রতীক’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘সে যত দিন খেলবে এবং জাতীয় দলে খেলার মতো অবস্থায় থাকবে, তত দিন আমি তাকে দলে নেব। তবে অবশ্যই কিছু সীমার মধ্যে এবং জাতীয় দলের জন্য যেটা আমি সবচেয়ে ভালো মনে করব সেটাই করব।’

হোর্হে জেসুস আরও বলেন, ‘এখনো রোনালদোর সঙ্গে আমার কথা হয়নি। সে কখনোই জাতীয় দলের জন্য সমস্যা হবে না। জাতীয় দলের জন্যও নয়, আমার জন্যও নয়।’
রোনালদোর সঙ্গে আল নাসরে কাজ করার অভিজ্ঞতা ইতিবাচক জানিয়ে জেসুস যোগ করেন, ‘গত এক বছর তার সঙ্গে কাজ করে আমি দারুণ আনন্দ পেয়েছি। তার সঙ্গে কাজ করা খুবই সহজ।’

বিদায় রোনালদো, স্বাগত নতুন পর্তুগাল

জেসুসের অধীনে পর্তুগালের প্রথম ম্যাচ আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর। উয়েফা নেশনস লিগের গ্রুপ ‘ডি’র উদ্বোধনী ম্যাচে ওয়েলসের মুখোমুখি হবে তারা। চার বছর পর স্পেন ও মরক্কোর সঙ্গে যৌথভাবে ২০৩০ বিশ্বকাপ আয়োজন করবে পর্তুগাল।

সৌদি আরবের আগে পর্তুগাল ও ব্রাজিলেও কোচিং করিয়েছেন জেসুস। তাঁর অধীনে ২০১০, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে পর্তুগিজ লিগের শিরোপা জেতে বেনফিকা। ২০১৯ সালে ফ্লামেঙ্গোর দায়িত্বে থাকার সময় এক বছরেই জিতেছিলেন পাঁচটি শিরোপা, যার মধ্যে ছিল দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ক্লাব প্রতিযোগিতা কোপা লিবার্তাদোরেসের ট্রফিও।

Read full story at source