মেসিকে ২০৩০ বিশ্বকাপে খেলাতে বিশ্বজুড়ে স্বাক্ষর সংগ্রহের প্রস্তাব

· Prothom Alo

বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে কোনো ঘোষণা দেননি, তবে আলোচনা আছে যেকোনো সময় আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানাতে পারেন লিওনেল মেসি। ২০৩০ বিশ্বকাপের এখনো চার বছর বাকি। তখন আর্জেন্টাইন মহাতারকার বয়স হবে ৪৩। তাই পরের বিশ্বকাপে তাঁকে দেখা যাবে—এমন আশা খুব একটা করছেন না কেউ।

Visit turconews.click for more information.

তবে একজন আছেন, যিনি মেসিকে ২০৩০ বিশ্বকাপে দেখতে বিশ্বব্যাপী স্বাক্ষর সংগ্রহের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আবার কোনো সাধারণ মেসি–ভক্ত নন, বলিভিয়ার হয়ে বিশ্বকাপে খেলা দেশটির কিংবদন্তি ফুটবলার মার্কো এচেভেরি।

আর্জেন্টাইন গণমাধ্যম সুপার দেপোর্তিভো রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এচেভেরি বলেন, তিনি মেসিকে পরের বিশ্বকাপেও খেলতে দেখতে চান। সেই লক্ষ্যে বিশ্বজুড়ে বিপুলসংখ্যক মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহ করে তাঁকে অবসর না নেওয়ার আহ্বান জানানোর প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

এচেভেরি মনে করেন, মেসিকে এখনই জাতীয় দল ছাড়তে দেওয়া উচিত হবে না, ‘আশা করি, সে অবসর নেবে না। তাকে অবশ্যই পরের বিশ্বকাপে থাকতে হবে।’ ৩৯ বছর বয়সেও সদ্য শেষ হওয়া ২০২৬ বিশ্বকাপে ৮ গোল করেছেন মেসি। তাঁর দল আর্জেন্টিনা খেলেছে ফাইনালে। মেসির এই পারফরম্যান্স তাঁকে মুগ্ধ করেছে জানিয়ে এচেভেরি বলেন, ‘আমার মতে, এটি মেসির খেলা সেরা বিশ্বকাপ। অন্য সব খেলোয়াড়ের তুলনায় সে অনেক এগিয়ে ছিল।’

মেসির প্রতি মুগ্ধতা প্রকাশের পাশাপাশি একটি ব্যতিক্রমী প্রস্তাবও দিয়েছেন এচেভেরি। তাঁর মতে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহ করে মেসিকে অবসর না নেওয়ার অনুরোধ জানানো উচিত, ‘একটি চিঠি লেখা উচিত। সারা বিশ্ব থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ করে মেসিকে অনুরোধ জানানো উচিত, যেন সে অবসর না নেয়। মেসিকে ছাড়া বিশ্ব ফুটবল কেমন হবে, সেটা ভাবলেই সবকিছু অন্য রকম মনে হয়। আমার বিশ্বাস, সে নিজেও অবসর নিতে চায় না।’

এচেভেরি আরও মনে করেন, আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের জয়ের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই। তাঁর ভাষায়, ‘আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা জন্মগতভাবেই বিজয়ী। আমি সব সময় তাদের বিশ্বাস করি। কঠিন ম্যাচেও তারা জয়ের জন্যই মাঠে নামে।’
বলিভিয়ার ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় এচেভেরি ১৯৯৪ বিশ্বকাপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। ২০০৪ সালে খেলোয়াড়ি জীবন শেষে কোচিংয়ে নাম লেখান।

মেসির সেই সিদ্ধান্তের জন্য কৃতজ্ঞ রিকেলমে

Read full story at source