নেতানিয়াহুর দাবি, ইরান তাঁর এক ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছিল

· Prothom Alo

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, ইরান তাঁর এক ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছিল। তবে কখন, কোথায় বা তাঁর কোন ছেলেকে লক্ষ্য করে এ চেষ্টা চালানো হয়, সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি তিনি।

Visit afnews.co.za for more information.

গতকাল সোমবার এ দাবি করেন নেতানিয়াহু। তিনি এমন এক সময় এ দাবি করলেন, যখন তাঁর ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক জোট ইসরায়েলে অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচনের জনমত জরিপে পিছিয়ে গেছে। আগামী অক্টোবরে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

গত ফেব্রুয়ারিতে তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হয়। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। নিহত হন তাঁর পরিবারের চার সদস্যও। তাঁদের মধ্যে ছিলেন তাঁর মেয়ে বুশরা ও ১৪ মাস বয়সী নাতনি জাহরা।

ইসরায়েলের রক্ষণশীল সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু তাঁর ছেলেকে হত্যাচেষ্টার ওই দাবি করেন বলে জানায় দ্য জেরুজালেম পোস্ট।

নেতানিয়াহু বলেন, ‘এটি অবিশ্বাস্য একটি ঘটনা। ইরান আমার এক ছেলেকে নিশানা করেছিল। ইরান তাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল।’

নেতানিয়াহুর দুই ছেলে ও এক মেয়ে। দ্য জেরুজালেম পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাইয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তাঁর দুই ছেলে ও স্ত্রীকে বাড়তি ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

ইসরায়েলের সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটকে নিরাপত্তা দিতে দেশটির একটি নিরাপত্তা সংস্থা অস্বীকৃতি জানিয়েছে—এমন খবরের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে নেতানিয়াহু ওই দাবি করেন। আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি অবস্থানে রয়েছেন আইজেনকোট।

আইজেনকোটের জন্য সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার পক্ষে মত দেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, এটি কোনো বিলাসিতা নয়। তিনি আরও বলেন, ‘এটি না থাকলে ইরানিরা সফল হবে।’

নেতানিয়াহুর দুই ছেলে ও এক মেয়ে। জেরুজালেম পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাইয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তাঁর দুই ছেলে ও স্ত্রীকে বাড়তি ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

নেতানিয়াহুর বড় ছেলে ৩৫ বছর বয়সী ইয়ার নেতানিয়াহু ২০২৪ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি শহরে অবস্থান করছেন। তাঁর নিরাপত্তায় ইসরায়েলি করদাতাদের অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক আছে।

নিজের নির্বাচনী প্রচারের বিলবোর্ডে মামদানির ছবি ব্যবহার করে কী বোঝাতে চাইছেন নেতানিয়াহু

এদিকে আলী খামেনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইরান। খামেনি নিহত হওয়ার এক সপ্তাহ পর তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মোজতবা খামেনিকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তবে তাঁর বাবার দাফন উপলক্ষে প্রকাশিত এক বার্তায় তিনি সাবেক সর্বোচ্চ নেতার ‘রক্তের প্রতিশোধ’ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছেন সাবেক সেনাপ্রধান

Read full story at source