সাংহাইতে শক্তিশালী ক্যামেরাসহ ভিভোর নতুন তিন ফোন

· Prothom Alo

আজ সোমবার সকাল থেকেই সাজ সাজ রব চীনের সাংহাইয়ের একটি সম্মেলন কেন্দ্রে। এখানেই আজ সন্ধ্যায় প্রায় দেড় হাজার মানুষের সামনে জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে মোড়ক উন্মোচন হলো ভিভোর তিনটি স্মার্টফোনের। ভিভো এক্স-৫০০, এক্স-৫০০ প্রো ও এক্স-৫০০ প্রো ম্যাক্স—এই তিনটি ফোন চীনের বাজারে ছাড়া হলো। তিনটি ফোনই বাংলাদেশের বাজারে পাওয়া যাবে আগামী ডিসেম্বরে।

Visit mwafrika.life for more information.

বক্তব্য দিচ্ছেন ভিভোর এক্স সিরিজের সিনিয়র ডিরেক্টর ঝাও দিয়ান। আজ সোমবার সাংহাইয়ে

একই আয়োজনে নতুন স্মার্টঘড়ি ভিভো ওয়াচ ৬ ছাড়া হয়। আর উন্মোচন করা হয়েছে ইয়ারফোন ভিভো বাডস ক্লিপের। মোড়ক উন্মোচন করতে এসে ভিভোর ভাইস প্রেসিডেন্ট অব প্রোডাক্ট হুয়ান তাও বলেন, ‘চীনের জাতীয় ছুটির আগে আমরা নতুন পণ্য ক্রেতাদের জন্য এনেছি। ভিভো ইমেজিং প্রযুক্তিতে এক দশক পার করছে। সেই অভিজ্ঞতা পাওয়া যাবে নতুন ফোনগুলোতে।’

ভিভো এক্স-৫০০, এক্স-৫০০ প্রো ও এক্স-৫০০ প্রো ম্যাক্স মডেলের স্মার্টফোন

ভিভোর এক্স সিরিজের সিনিয়র ডিরেক্টর ঝাও দিয়ান বলেন, স্মার্টফোনে প্রথম ৮কে ভিডিও করার ক্যামেরা এনেছে ভিভো। ভিভো এক্স-৫০০ প্রো ম্যাক্সে ৮কে ভিডিও করা যাবে।

ভিভো এক্স-৫০০ ফোনে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেকের ব্লু চিপ এক্স ডি ৯৬০০ এম প্রসেসর। আর ভিভো এক্স-৫০০ প্রো ও প্রো ম্যাক্সে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেকের ব্লু চিপ এক্স ডাইনিসিটি ৯৬০০ প্রো প্রসেসর। অনুষ্ঠানে মিডিয়াটেকের প্রেসিডেন্ট, ডিরেক্টর ও সিইও জো চেন বলেন, এই প্রসেসর দিয়ে এআইয়ের কাজ করা যাবে।

আয়োজনস্থলে শুটিংয়ের সেট ফেলা হয়েছিল

অনুষ্ঠানে চীনা চলচ্চিত্র পরিচালক ওয়েন মুয়ে চলচ্চিত্রের জন্য ভিভোর ক্যামেরাকে বেশ কাজের বলে উল্লেখ করেন। হাইস্পিড শুটিং করা যায় বেশ ভালোভাবে।

নতুন তিনটি ফোনই ছবি তোলার দিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বেশ। রীতিমতো সিনেমার সেট তৈরি করে ক্যামেরার কারিশমা দেখানো হয়। ভিভোর তিনটি নতুন ফোনেই ব্যবহার করা হয়েছে জার্মানির ক্যামেরা নির্মাতা জেইসের সুপার ডায়নামিক মূল ক্যামেরা। ভিভো এক্স-৫০০ প্রো ও প্রো ম্যাক্স ফোনে ব্যবহার করা যায় গ্রিপারসহ জেইস অ্যাপো ৪০০ মিলিমিটার টেলিফটো লেন্স। ভিভো এক্স-৫০০ পাওয়া যাবে তিনটি রঙে। ভিভো এক্স-৫০০ প্রো দুটি রঙে এবং ভিভো এক্স-৫০০ প্রো ম্যাক্স চারটি রঙে পাওয়া যাবে।

ভিভো ওয়াচ ৬

Read full story at source