নিজেদের ভুলও খুঁজছে তামিমের বিসিবি

· Prothom Alo

টেস্টে বাংলাদেশ দল এখন যতটা ভালো খেলছে, সাদা বলের ক্রিকেটে ততটাই খারাপ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের পারফরম্যান্স সেটির সর্বশেষ উদাহরণ।

কিন্তু সমস্যাটা কী ক্রিকেটারদেরই, নাকি গলদ রয়ে যাচ্ছে তাদের প্রস্তুত করার প্রক্রিয়াতেই? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গতকাল বিকেলে জাতীয় দল–সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে দীর্ঘ সভা করেছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার সে সভায় কোচিং স্টাফ সদস্য ও জাতীয় দলের অধিনায়কদের সঙ্গে ছিলেন নির্বাচক কমিটির সদস্যরা, হাইপারফরম্যান্স বিভাগ, গেম ডেভেলপমেন্ট ও ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের কোচ-কর্মকর্তারাসহ আরও অনেকেই।

Visit rouesnews.click for more information.

গতকাল রাতে সভার ব্যাপারে জানতে চাইলে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল বলেছেন, ‘যে কোনো ব্যর্থতার জন্য শুধু খেলোয়াড়দের দিকে আঙুল তোলার আগে আমরা নিজেদের মধ্যে কথা বলে বুঝতে চেয়েছি, আমাদের কোনো ভুলের জন্য তারা খারাপ খেলছে কি না, তাদের ওয়ানডের জন্য প্রস্তুত করায় প্রক্রিয়াগত কোনো ভুল আছে কি না।’ সবাইকে নিয়ে করা এই ‘ব্রেন স্টর্মিংয়ে’ অনেক কিছু বেরিয়ে এসেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি, ভবিষ্যতে যেগুলোর সমাধান খোঁজা হবে সব পর্যায়ের ক্রিকেটেই।

বড় রান তোলার অভ্যাস গড়তে আসছে ব্যাটসম্যানদের জন্য নতুন অনুশীলন কৌশল।

সভার বিস্তারিত না জানালেও একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি বোঝাতে চেষ্টা করেছেন বিসিবি সভাপতি। সেটি বিস্তারিত শুনুন তাঁর মুখেই, ‘ধরুন, আমরা চাই আমাদের জাতীয় দল ওয়ানডেতে ৩০০-৩৫০ করুক, ৩০০-৩৫০ রান তাড়া করুক। কিন্তু ঘরোয়া ৫০ ওভারের ক্রিকেটে কি তারা সেটা করছে? খুব বেশি হলে প্রতি মৌসুমে এ রকম দুই-তিনটা ম্যাচই হয়, যেখানে এত রান তাড়া করতে হয়। এখন ঘরোয়া ক্রিকেটেই যদি তাদের এই চর্চাটা না থাকে, তাহলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে গিয়ে কীভাবে করবে!’

এ সমস্যা তুলে ধরে সভায় আলোচিত একটি সম্ভাব্য সমাধানের কথাও বলেছেন তামিম ইকবাল, ‘আমরা যেমন আলোচনা করেছি, এমন একটা প্র্যাকটিস সেশনের ব্যবস্থা রাখার, যেখানে ৬-৭ জন করে বোলার ও ৬-৭ জন করে ব্যাটসম্যান থাকবে। ব্যাটসম্যানদের ৩২০-৩৫০ রানের লক্ষ্য দেওয়া হবে। তারা চেষ্টা করবে ৫০ ওভারের মধ্যে তা করার, বোলাররা চেষ্টা করবে তাদের সেটা করতে না দেওয়ার।’

ওয়ানডেতে সাফল্য পেতে ঘরোয়া ক্রিকেটের কাঠামোগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে বিসিবি।

ম্যাচ পরিস্থিতির অনুশীলন বলতে যা বোঝায়, সোজা কথায় সেটাই। তবে এখানে এ ধরনের অনুশীলনকে প্রতিযোগিতাপূর্ণ করে তুলতে টিম ম্যানেজমেন্ট কাজ করবে। ৫০ ওভারের ম্যাচে খেলোয়াড়দের বড় রান করার অভ্যস্ততা তৈরির প্রক্রিয়ার একটা উদাহরণ হিসেবেই এ ধরনের অনুশীলনের কথা বলেছেন তামিম। তিনি জানিয়েছেন, এ ধরনের সেশন সামনে থেকে দেখা যাবে সব পর্যায়ের দলের অনুশীলনেই। সঙ্গে আরও কিছু পরিকল্পনাও নাকি বোর্ডের আছে।

Read full story at source