১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চে পদ্মা সেতু দিয়ে কত গাড়ি গেল, টোল পৌনে ৮ লাখ টাকা

· Prothom Alo

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের খুলনা–কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চে অংশ নেওয়া ৭৭৮টি যানবাহন একসঙ্গে পদ্মা সেতু পার হয়েছে।

Visit h-doctor.club for more information.

আজ শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে লংমার্চের যাত্রা শুরু হয়। ১০টার দিকে পদ্মা সেতু পার হয়। এসব যানবাহন থেকে সেতুর টোল বাবদ প্রায় ৭ লাখ ৭৬ হাজার টাকা আদায় হয়েছে।

পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজার তথ্য অনুযায়ী, লংমার্চের বহরে মাইক্রোবাস, কার, জিপসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন ছিল। সব মিলিয়ে ৭৭৮টি যানবাহন সেতু পার হয়েছে।

লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে ছিল না এনসিপি, গাড়িবহরে ৪ নেতা১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান। আজ শনিবার সকালে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে

১১–দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে এর আগে বলা হয়েছিল, ঢাকা থেকে ৬০০–৭০০ গাড়ির বহর নিয়ে লংমার্চ যাত্রা করবে। পথে পথে বিভিন্ন জেলা থেকে গাড়ি যুক্ত হবে বহরে। কুষ্টিয়া পৌঁছানোর পর গাড়ির সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়ে যাবে। দেশের ১৯টি জেলার নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের এতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

আজ সকাল সাতটায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে লংমার্চের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে সকাল সাড়ে আটটার দিকে গাড়ির বহর যাত্রা শুরু করে। ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ায় গিয়ে এই কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা।

মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর নিয়ে লুকোচুরি হচ্ছে কি না, জাতি জানতে চায়: শফিকুর রহমান

১১–দলীয় ঐক্যের নেতারা জানিয়েছেন, এটি তাঁদের তৃতীয় দফার লংমার্চ। এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম প্রথম লংমার্চ হয়। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। আজকের কর্মসূচিটি আগের দুটির তুলনায় দীর্ঘ। ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত প্রায় ৪১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার কথা লংমার্চের বহরের।

১১–দলীয় ঐক্যের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ঢাকা–সিলেট ও ঢাকা–বরিশাল পথেও লংমার্চ আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে ১১–দলীয়ে ঐক্যের নেতারা জানিয়েছেন।

জনগণের রায় অগ্রাহ্য করলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: শফিকুর রহমান

Read full story at source