শতবর্ষের ঐতিহ্যে ‘জব্বারের বলি খেলা’—শক্তি, সংস্কৃতি আর উৎসবের মিলন মেলা

· Prothom Alo

চট্টগ্রামের আকাশে বৈশাখের রোদ, মাটিতে মানুষের ঢল, আর তারই মাঝে শত বছরের ঐতিহ্য বয়ে চলা এক অনন্য আয়োজন—জব্বারের বলি খেলা। শক্তি, সাহস আর সংস্কৃতির এক জীবন্ত মেলবন্ধন যেন এই আয়োজন, যা সময়ের সীমানা পেরিয়ে আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

Visit biznow.biz for more information.

চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দান-এ বসা এই আয়োজন কেবল একটি কুস্তি প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি আমাদের শিকড়ের গল্প বলে। ১৯০৯ সালে আবদুল জব্বার সওদাগর-এর হাত ধরে শুরু হওয়া এই বলি খেলা আজ ১১৭ বছরের ঐতিহ্য বয়ে চলেছে।

খেলার মূল উদ্দেশ্য ছিল যুবসমাজকে শক্তিশালী ও সাহসী করে তোলা। আর সেই লক্ষ্যই আজ পরিণত হয়েছে এক বিশাল উৎসবে, যেখানে দেশের নানা প্রান্ত থেকে কুস্তিগিররা অংশ নেন। তাদের শক্তি, কৌশল আর লড়াই দর্শকদের মুগ্ধ করে।

এই বলি খেলাকে ঘিরে বসা বৈশাখী মেলা যেন আলাদা এক আকর্ষণ। গ্রামীণ পণ্য, লোকজ সংস্কৃতি, আর ঐতিহ্যবাহী খাবারের সমাহারে মেলা হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। ঢোলের তালে, বাউল গানের সুরে আর মানুষের হাসি-আনন্দে তৈরি হয় এক উৎসবমুখর আবহ।

লালদীঘির মাঠে হাজারো মানুষের ভিড়ে জমে উঠেছে বলি খেলার আসরকুস্তিগিরদের প্রস্তুতি—মাটির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার মুহূর্তশক্তি ও কৌশলের লড়াইয়ে মুখোমুখি দুই বলিদর্শকদের উচ্ছ্বাসে প্রতিটি মুহূর্ত হয়ে ওঠে রোমাঞ্চকরঐতিহ্যবাহী ঢোলের তালে তালে খেলার আবহবলিদের শরীরে ফুটে ওঠা পরিশ্রম আর অনুশীলনের ছাপ বিজয়ের উল্লাস—একজন বলির গর্বিত মুহূর্তবৈশাখী মেলায় রঙিন খেলনার দোকানমাটির হাঁড়ি-পাতিলের পসরা—গ্রামীণ ঐতিহ্যের ছোঁয়াবাঁশ ও বেতের তৈরি আসবাবের আকর্ষণীয় প্রদর্শনীশিশুদের ভিড় রঙিন খেলনার দোকানেশীতল পাটির নান্দনিক সামগ্রীলোকজ পণ্যে ভরপুর মেলার এক কোণদা, বঁটি ও কৃষিকাজের সরঞ্জামের দোকান

Read full story at source