নেত্রকোনা সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের সময় পাচারকারীসহ আটক ২
· Prothom Alo

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার ফারংপাড়া বটতলা সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের সময় পাচারকারীসহ এক কিশোরীকে আটক করা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাঁদের আটক করে। দুপুরে নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন ৩১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
Visit playerbros.org for more information.
আটক ব্যক্তিরা হলেন দুর্গাপুরের ভরতপুর এলাকার সিলভার মানকিন (২৫) ও বরইগঞ্জ এলাকার এক কিশোরী (১৪)।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে সীমান্ত এলাকায় পুশ-ইন ও মানব পাচার প্রতিরোধে বিজিবির টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। শনিবার সকালে বিজিবির টহলরত সদস্যরা সীমান্তের প্রধান পিলার ১১৫৬/৮-এসের নিকটবর্তী ফারংপাড়া গ্রামের বটতলা এলাকার সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের সময় এক কিশোরীসহ পাচারকারী সিলভার মানকিনকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ওই কিশোরীর অধিকাংশ আত্মীয়স্বজন ভারতের বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করেন। সে সিলভার মানকিনের মাধ্যমে ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করতে চেয়েছিল। বিজিবির হাতে আটক হওয়া দুজন বর্তমানে দুর্গাপুর থানায় আছেন।
দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ খান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় বিজিবি বাদী হয়ে মানব পাচার আইনে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁদের আদালতে পাঠানো হবে।
এদিকে সীমান্তে ঠেলে পাঠানো ঠেকাতে নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের অধীন বিওপিতে জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে। সম্ভাব্য পুশ-ইনের স্থানগুলো চিহ্নিত করে সার্বক্ষণিক টহল ও নজরদারি করা হচ্ছে বলে জানান নেত্রকোনা ৩১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার কিছু সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে দুর্গাপুর থেকে ১৩৭ জনকে বিএসএফ পুশ–ইন করার চেষ্টা করে, যা বিজিবি ও গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ হয়। এই তথ্য সঠিক নয়। আমাদের টহলের অংশ হিসেবে বিজিবি ও গ্রামবাসীসহ সীমান্তে যৌথ টহল কার্যক্রম ছিল। তবে পুশ-ইনের ব্যাপারে আমাদের কোনো তথ্য নেই।’