চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার কথা বলে নারীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ

· Prothom Alo

সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে খুলনার কয়রা উপজেলা থেকে এক গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একজনের নাম উল্লেখ করে আরও দুজনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে মামলা করেছেন ওই নারী।

Visit extonnews.click for more information.

পুলিশ ও স্বজন সূত্রে জানা যায়, ওই নারীর অসুস্থ বা অচেতন অবস্থার সুযোগ নিয়ে দুই যুবক তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। তাঁর বাড়ি কয়রা উপজেলায়। চিকিৎসার বিষয়ে এক আত্মীয়ের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের একজনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ওই ব্যক্তি সাতক্ষীরা শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চাকরি করেন।

মো. আবু বকর সিদ্দিক, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, তালা থানাআসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। মামলা তদন্তের স্বার্থে আসামিদের পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না। আর ভুক্তভোগী নারীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরীক্ষার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ওই নারীর এক স্বজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ওই নারীকে তালায় ডেকে নেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় আর চিকিৎসক দেখানো সম্ভব হবে না জানিয়ে তাঁকে পরদিন দেখানোর কথা বলা হয়। পরে ওই নারীকে একটি ভাড়া বাসায় রাতযাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। তাঁকে আশ্বস্ত করে পরিচিত ব্যক্তি বলেন, বাসায় তাঁর মা-বোনও রয়েছেন। পরে ওই নারী সেখানে অবস্থান করতে রাজি হন।

ভুক্তভোগী নারীর ভাষ্য, রাতে তাঁকে ওই বাসায় থাকা এক নারীর সহযোগিতায় খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধজাতীয় কিছু মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। এরপর তিনি অচেতন হয়ে পড়লে এক যুবক তাঁকে ধর্ষণ করেন। জ্ঞান ফেরার পর বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি বাসায় থাকা নারীকে জানান। তখন তাঁকে গালাগালি করা হয় এবং মুঠোফোনে ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়। এরপর রাতে আরও কয়েক দফা দুই যুবক তাঁকে ধর্ষণ করেন। সকাল হলে সুযোগ বুঝে ওই বাসা থেকে বের হয়ে একজন আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে তালা থানায় গিয়ে সবকিছু খুলে বলেন ভুক্তভোগী নারী।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আজ সকালে এক নারী থানায় এসে ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে একজনের নাম উল্লেখ করে আরও দুজনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে মামলা নেওয়া হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। মামলা তদন্তের স্বার্থে আসামিদের পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না। আর ভুক্তভোগী নারীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরীক্ষার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Read full story at source