পশ্চিমবঙ্গে খাদ্যে ভেজালবিরোধী অভিযান, ১৭ রেস্তোরাঁ বন্ধ

· Prothom Alo

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন শহরে ১ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে খাদ্যনিরাপত্তা অভিযান। রাজ্যের খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের এই অভিযান চলবে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষণা অনুযায়ী পচা, বাসি, নষ্ট হয়ে যাওয়া ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী খুঁজে বের করে দোষীদের শাস্তির উদ্দেশ্যে এই অভিযান শুরু হয়।

Visit h-doctor.club for more information.

অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। কলকাতায় তাদের সঙ্গে রয়েছেন পৌর করপোরেশনের কর্মকর্তারা, অন্যত্র পৌরসভার কর্মকর্তারা। রাজ্যের সর্বত্র এখন জোরালোভাবে চলছে এই অভিযান।

কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলার রেস্তোরাঁ, মুদিদোকানসহ খাদ্যদ্রব্য বিক্রির সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে তল্লাশি চালাচ্ছেন কর্মকর্তারা। তল্লাশিতে মিলছে প্রচুর মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী। বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে পাওয়া গেছে পচা, বাসি ও মেয়াদোত্তীর্ণ মিষ্টি। বহু খাদ্যদ্রব্য ও মিষ্টিতে মেশানো হয়েছে কৃত্রিম রং, যা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। উদ্ধার করা এসব খাদ্যদ্রব্য নষ্ট করে ডাস্টবিন ও ড্রেনে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

বাঁকুড়ার একটি দোকান থেকে ৪৭০ টিন ভেজাল সয়াবিন তেল উদ্ধার করে তা জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে ভেজাল ঘি, ছানা ও দইও। কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন শপিং মলে পাওয়া গেছে নষ্ট মাছ-মাংস। ফ্রিজে রাখা খাসি ও মুরগির মাংসও মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।

কলকাতার নাগেরবাজারের শপিং মল ডায়মন্ড প্লাজা, মধ্যমগ্রামের স্টার মলসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলার শপিং মলে পচা মাছ-মাংসের সন্ধান মিলেছে। এসব পণ্য বাজেয়াপ্ত করে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২ হাজার ৫০০ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের পণ্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ১৭টি নামী রেস্তোরাঁ।

কলকাতার জোড়াসাঁকো, ধর্মতলা, ডালহৌসি, কামালগাজি, পার্ক স্ট্রিট, টেংরা, লেক মার্কেট, সল্টলেক, নারায়ণগড়সহ বিভিন্ন এলাকায় পচা-বাসি খাদ্যদ্রব্যের সন্ধান পাওয়া গেছে। বাঁকুড়া, জয়পুর, দুর্গাপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, দাঁতন ও হুগলি এলাকার বহু রেস্তোরাঁ ও খাবারের দোকানেও মিলেছে ভেজাল, বাসি ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য।

ধর্মতলার ডেকার্স লেনে অফিসকর্মীরা সস্তায় সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবার কিনতে যান। সেখানে অভিযান চালিয়েও উদ্ধার করা হয়েছে বহু ভেজাল খাদ্যদ্রব্য। ফুটপাতের বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালিয়ে সেগুলো নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

Read full story at source