সিলেট-ঢাকা ছয় লেনের কাজ শেষ হবে ২০২৯ সালের মাঝামাঝি: বাণিজ্যমন্ত্রী

· Prothom Alo

নির্মাণাধীন ছয় লেনবিশিষ্ট সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক ২০২৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে চলাচলের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, দেশের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করার কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

আজ শনিবার দুপুরে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার চণ্ডীপুল এলাকার একটি কনভেনশন হলে সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় খন্দকার আবদুল মুক্তাদির দ্রুততার সঙ্গে সিলেট-ঢাকা ও সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে রেল যোগাযোগ উন্নত করারও আশ্বাস দেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক বিগত সরকারের সময় পরিকল্পনা নিলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। আমরা যে অবস্থায় দায়িত্বটা নিয়েছিলাম, সেখানে অগ্রগতি ছিল ৭ থেকে ৮ শতাংশ। জমি অধিগ্রহণই বাকি ছিল, কাজ হবে কীভাবে? ইনশা আল্লাহ, ২০২৯ সালের মাঝামাঝি এই রাস্তা পুরোপুরি সম্পন্ন হবে এবং আগামী ১২ মাস পরে রাস্তার অবয়বটা আপনাদের কাছে স্পষ্ট হবে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অন্যান্য দেশে এসএমই খাতের অবদান জিডিপিতে ৫৮ শতাংশ, ৬০ শতাংশ, ৭০-৮০ শতাংশ; আমাদের দেশে সেটির জিডিপিতে অবদান মাত্র ৩৪ শতাংশ। তার মানে হচ্ছে, এই ব্যবসায়িক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার জন্য এখন পর্যন্ত স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরেও যথেষ্ট সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়নি। কারণ, আমাদের কার্যপ্রণালিগুলো পদে পদে ব্যবসা সহায়ক না, ব্যবসাবিরোধী সিস্টেম করে রাখা হয়েছে।’ তিনি সিলেটে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির আশ্বাস দেন।

অভিষেক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি আবদুল মুনিম মল্লিক। এতে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের শামীম, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

পরে একই অনুষ্ঠানের আরেকটি পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এ পর্বে সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ্ সিদ্দিকী, মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আবদুল কাইয়ুম জালালী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

আরিফুল হক চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘সিলেট প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা, পর্যটনের এলাকা। এখানে যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। ব্যবসায়ীরা ঐক্যবদ্ধভাবে সিলেটে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করবেন, এটা আশা করছি। সিলেটকে শিল্প এলাকা হিসেবে তৈরি করতে এই সরকার কাজ করবে।’

Read full story at source